গত শনিবার রাত্রির ঘটনা,অন্ডাল ওয়ার্কসপ কৃষ্ণ পল্লী এলাকার খুনের ঘটনায় এলাকা বাসির সুত্র জানা গিয়েছে যে বামদাস এলাকায় জামাই বলে পরিচিত তার স্ত্রী কল্যাণী দাস এর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বীরেন্দ্র চৌধুরী অবৈধ সম্পর্কে জড়িত ছিল বলে সন্দেহ করেন বাম বাবু। কাজের সুবাদে বাইরেই থাকেন বেশিরভাগ দিন শনিবার রাত্রিবেলায় কাজ সেরে বাড়িতে ফিরতেই বাম বাবুর স্ত্রীর সাথে কথা কাটাকাটি চরমসীমায় পৌঁছায় তৎক্ষণাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে বামবাবু তড়িঘড়ি ধারালো অস্ত্র নিয়ে আঘাত করে বীরেন্দ্র চৌধুরীকে। আঘাত করার পর বাম বাবু সেই সময় থেকে পলাতক। রক্তাক্ত অবস্থায় আহত বীরেন্দ্র চৌধুরীকে উদ্ধার করে রাতেই নিয়ে যাওয়া হয় দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল।আঘাত গভীর হওয়ার কারণে সেখান থেকে তাকে স্থানান্তরিত করা হয় বর্ধমান মেডিকেল কলেজে। বর্ধমান নিয়ে যাওয়ার পথেই বীরেন্দ্র চৌধুরীর মৃত্যু হয়।অন্ডাল থানার পুলিশ অভিযুক্ত বাম দাসের স্ত্রী কল্যানী দাস কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে এবং সেই সময় থেকে অন্ডাল থানার পুলিশ অভিযুক্তকে খোঁজার চেষ্টা করে, অবশেষে এই ঘটনায় পুলিশের অতি সক্রিয়তার সাথে তদন্ত করে অভিযুক্ত বাম দাসকে ছত্রিশ ঘন্টার মধ্যে অন্ডাল থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে আজ মঙ্গলবার তাকে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে। এবং নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আরো তদন্ত করবে।








