Dastak Jo Pahunchey Har Ghar Tak

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

দোমাহানি কেলেজোড়ায় হাজার মুসলিম সমাজের আলোচনা সভা কুরবানী আইন, মাইক ব্যবহার ও সম্প্রীতি রক্ষায় সচেতনতার বার্তা

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email
ASANSOL DASTAK ONLINE DESK

ASANSOL DASTAK ONLINE DESK

দোমাহানি কেলেজোড়ায় হাজার মুসলিম সমাজের আলোচনা সভা

কুরবানী আইন, মাইক ব্যবহার ও সম্প্রীতি রক্ষায় সচেতনতার বার্তা

বারাবানী, রবিবারঃ
রাজ্য সরকারের গো-হত্যা সংক্রান্ত আইন, কুরবানীর পশু বলি বিষয়ক বিধিনিষেধ এবং ধর্মীয় স্থানে লাউড স্পিকার (মাইক) ব্যবহারের সাম্প্রতিক নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে রবিবার দোমাহানি কেলেজোড়ার কল্যাণ ভবনে হাজার মুসলিম সমাজ-এর উদ্যোগে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় এলাকার বিভিন্ন গ্রামের মসজিদের ইমাম, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সমাজকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। শুরুতেই উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানিয়ে নবনির্বাচিত রাজ্য সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান সংগঠনের সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম।

তিনি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন এবং একটি সামাজিক সংগঠন হিসেবে “হাজার মুসলিম সমাজ”-এর দায়বদ্ধতার বিষয়টি তুলে ধরেন। দেশের আইন, সংবিধান এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার ক্ষেত্রে মুসলিম সমাজের দায়িত্ব ও সচেতন ভূমিকার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

সভায় কুরবানী সম্পর্কিত সরকারি আইন, পশু চিকিৎসক ও সরকারি কসাইখানার অপ্রতুলতা, ধর্মীয় স্থানে লাউড স্পিকার ব্যবহারের নিয়মাবলি এবং প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়” এবং দেশের শাসনব্যবস্থা সংবিধান দ্বারা পরিচালিত হয়। তাই যেমন নাগরিকদের আইন মেনে চলা কর্তব্য, তেমনি সরকারকেও সংবিধানের মাধ্যমেই দেশ পরিচালনা করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, সরকার মানুষের জন্য, মানুষ সরকারের জন্য নয়। মানুষের অনুভূতি ও অধিকারের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে তার সামাজিক প্রতিক্রিয়া ভয়াবহ হতে পারে। পাশাপাশি বর্তমান সময়ে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি না করে শান্তি, সংযম ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।

সভায় উপস্থিত সকলকে সতর্ক করা হয় যে, এমন কোনো বক্তব্য বা আলোচনা করা যাবে না যা এলাকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে। সভা থেকে আগামী ২০ মে বুধবার দুপুর ১১টায় মাননীয় জেলা শাসকের কাছে একটি ডেপুটেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এই সভায় সভাপতিত্ব করেন হাজী আব্দুর রহিম। উপস্থিত ছিলেন শেখ শাকিরুদ্দিন, শেখ মুইন, শেখ কুরবান, ইমাম উদ্দিন, মাওলানা শেখ আনারুল-সহ অনেকে।

সভায় শেষ পর্যায়ে সভাপতি হাজী আব্দুর রহিম সকলকে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক ভাবে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার জন্য অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। তিনি সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রেখে আইনসম্মত পথে এগিয়ে চলার বার্তা দেন এবং উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে সভা সমাপ্তি ঘোষনা করেন।