শ্মশান কালী মন্দিরের কাছে স্থায়ী সেতু নির্মাণ, নিরাপদে জলাভিষেকে সুবিধা পুণ্যার্থীদের
সীতারামপুর: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী এবং কুলটির দু’বারের বিধায়ক মাননীয় ডাঃ অজয় কুমার পোদ্দারের উদ্যোগে সীতারামপুর বিদ্যাগড়, ওয়ার্ড নম্বর ১৯-এর শ্মশান কালী মন্দিরের কাছে ঘুরঘুরিয়া নদীর উপর পুণ্যার্থীদের সুবিধা ও নিরাপত্তার জন্য প্রায় ৩০–৩৫ ফুট দীর্ঘ একটি ছোট লোহার ও কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়েছে।
সেতুটি ওয়ার্ড নম্বর ১৯ ও ২০-এর সীমানায় অবস্থিত। শ্রাবণ মাসে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ জন পুণ্যার্থী এই পথ দিয়ে ওয়ার্ড নম্বর ২০-তে অবস্থিত চন্দ্রচূড় বাবার মন্দিরে জলাভিষেক করতে যান। নদীর জলস্তর স্বাভাবিক মনে হলেও স্রোত থাকার কারণে এই পথে পুণ্যার্থীদের, বিশেষ করে মহিলা, শিশু ও বয়স্কদের নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ ছিল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত কয়েক দশক ধরে এই স্থানে একটি স্থায়ী সেতুর দাবি জানানো হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। এর আগে পুণ্যার্থীদের অস্থায়ী ব্যবস্থা, দড়ি অথবা সংকীর্ণ পথের সাহায্যে নদী পার হতে হতো।
চলতি বছরের শ্রাবণ মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে বিজেপি সংগঠন ও কর্মীদের উদ্যোগে অস্থায়ী সেতুর ব্যবস্থা করে পুণ্যার্থীদের যাতায়াত সহজ করা হয়। পরবর্তীতে মন্ত্রী ডাঃ অজয় কুমার পোদ্দারের উদ্যোগে আসানসোল পৌরনিগমের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে সেতুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে শ্রাবণ মাসের বাকি সপ্তাহগুলিতে পুণ্যার্থীরা আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে পূজা ও জলাভিষেক করতে পারবেন।
এই প্রসঙ্গে বিজেপি আসানসোল জেলা মিডিয়া ইনচার্জ এবং কুলটি বিধানসভা এলাকার মণ্ডল সহ-সভাপতি টিঙ্কু বর্মা বলেন, “পুণ্যার্থীদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে সংগঠনের কর্মীরা প্রথম দুই সপ্তাহ আসানসোল বিজেপি জেলার সাধারণ সম্পাদক কেশব পোদ্দারের নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করে অস্থায়ী সেতুর ব্যবস্থা করেছিলেন। এখন মন্ত্রী ডাঃ অজয় কুমার পোদ্দারের উদ্যোগে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “জনসাধারণের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা এবং সমাজের শেষ প্রান্তের মানুষের কাছে নাগরিক সুবিধা পৌঁছে দেওয়াই বিজেপির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ডাঃ অজয় কুমার পোদ্দারের নেতৃত্বে কুলটি বিধানসভা এলাকায় রাস্তা, পরিচ্ছন্নতা, নিকাশি ব্যবস্থা, যান চলাচল এবং অন্যান্য জনসুবিধা সংক্রান্ত কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।”
সেতু নির্মাণের জন্য পুণ্যার্থীরা মন্ত্রী ডাঃ অজয় কুমার পোদ্দার এবং প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁদের বক্তব্য, এখন “হর হর মহাদেব” এবং “বোল বম” ধ্বনির সঙ্গে আরও নিরাপদে চন্দ্রচূড় বাবার মন্দিরে গিয়ে জলাভিষেক করা সম্ভব হবে।
টিঙ্কু বর্মা বলেন, “আগামী দিনগুলিতেও জনস্বার্থের সঙ্গে যুক্ত কঠিন সমস্যাগুলির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সংগঠন ও কর্মীরা মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাবেন।”










