কুলটি রানিতলা মেলায় বিএমএস-এর বইয়ের স্টলে বইপ্রেমীদের ভিড়
দেশপ্রেম, রাষ্ট্রপ্রেম ও ধর্মীয় গ্রন্থের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়াচ্ছে এই উদ্যোগ, পাঁচ দিনেই বিক্রি হয়েছে বিপুল সংখ্যক বই
কুলটি, ২৩ অক্টোবর: প্রতি বছরের মতো এ বছরও কুলটি রানিতলা মেলায় বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে বিএমএস (BMS)-এর বইয়ের স্টল। টানা দশ বছর ধরে এই মেলায় বইয়ের স্টল পরিচালনা করে আসছে সংগঠনটি। এ বছরও স্টলে বই বিক্রিতে মিলেছে ব্যাপক সাড়া। মেলা শুরুর প্রথম পাঁচ দিনেই বিক্রি হয়েছে বিপুল সংখ্যক বই। বইপ্রেমীদের পাশাপাশি মেলায় আগত মহিলা, পুরুষ ও শিশুদের মধ্যেও বই কেনার আগ্রহ চোখে পড়ার মতো।

বিএমএস-এর এই বইয়ের স্টলে দেশপ্রেম, রাষ্ট্রপ্রেম, ধর্মীয় ভাবধারা, সমাজসেবা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়ের উপর রচিত নানা ধরনের বই পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমান সময়ে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, দেশ ও সমাজ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে পাঠাভ্যাস প্রসারে সংগঠনের এই উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
চলতি বছরের ১৮ অক্টোবর কুলটি রানিতলা মেলার উদ্বোধন করেন কুলটির বিধায়ক তথা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের মন্ত্রী ডা. অজয় কুমার পোদ্দার। মেলা শুরু হওয়ার পর থেকেই বিএমএস-এর বইয়ের স্টলে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে। মেলায় ঘুরতে এসে অনেকেই পছন্দের বই কিনছেন। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের বই কেনার আগ্রহ এই উদ্যোগকে আরও উৎসাহিত করছে।
বইয়ের স্টলে উপস্থিত থেকে গোটা উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বিএমএস-এর সভাপতি রাজকিশোর কুইরি, সাধারণ সম্পাদক উৎপল ঘোষ, ফেডারেশনের সদস্য বাচ্চু কুমার-সহ অমিত ঘোষ, পার্থ মণ্ডল, রবি চৌবে, সুমন মাঝি, অমরনাথ শাও, প্রেমনাথ পাণ্ডে, পঙ্কজ চৌধুরী এবং মিথিলেশ রায়।
উল্লেখ্য, বিগত দশ বছর ধরে কুলটি রানিতলা মেলায় বিএমএস-এর এই বইয়ের স্টল শুধু বই বিক্রির ক্ষেত্র হিসেবেই নয়, বরং মানুষের মধ্যে জ্ঞানচর্চা, দেশপ্রেম, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সাংস্কৃতিক চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। এ বছরও বইয়ের স্টলে মানুষের ব্যাপক সাড়া সংগঠনের সদস্যদের উৎসাহিত করেছে। মেলায় বিএমএস-এর এই উদ্যোগ বইপ্রেমীদের কাছে যেমন আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে, তেমনই বই ও পাঠাভ্যাসের প্রতি মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।










